বুধবার, ০১ Jul ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপি ও জামায়াত যদি গত ৫০ বছর ধরে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিকে নিয়ে নেতিবাচক, প্রতিহিংসাপরায়ণ, পেট্রলবোমা আর সন্ত্রাসাশ্রয়ী অপরাজনীতি, ষড়যন্ত্র না করত, দেশের বিরুদ্ধে বিদেশে অপপ্রচার না চালাত, তাহলে দেশ আরও বহুদূর এগিয়ে যেত।’
বিএনপি জন্মলগ্ন থেকেই স্বাধীনতাবিরোধীদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘জিয়াউর রহমান দেশে আর কোনো মানুষ খুঁজে পাননি, সেই শাহ আজিজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছিলেন, যিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের প্রতিনিধি দলের উপপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘে গিয়ে বলেছিলেন, ‘পূর্বপাকিস্তানে কোনো যুদ্ধ হচ্ছে না, কোনো গণহত্যা হচ্ছে না, সেখানে ভারতীয় কিছু চর গণ্ডগোল করছে মাত্র।’
‘জিয়াউর রহমান রাজাকারদের মন্ত্রী ও এমপি বানিয়েছিলেন, ‘বেগম জিয়ার সময় গোলাম আজমকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছিল এবং যারা দেশটাই চায়নি, যারা চাঁদ-তারা পতাকার পক্ষে এ দেশের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, গণহত্যার সঙ্গে যুক্ত সেই মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মুজাহিদদের খালেদা জিয়া মন্ত্রী বানিয়েছিলেন’-বলেন ড. হাছান মাহমুদ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘এসব কারণেই দেশকে যদি আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, এই স্বাধীনতা ও দেশবিরোধী অপশক্তির চূড়ান্ত পতন প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তৃতায় স. ম. গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর একটি নিবিড় সম্পর্কে যুক্ত। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ধারণকারী ও দেশের সংবিধানের প্রথম হস্তলিপিকার এই অধিদপ্তরেই চাকুরে ছিলেন এবং অধিদপ্তরের এই স্থানেই ছিল স্বাধীনতা উত্তরকালে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কার্যালয়।’
ডিএফপি মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান তথ্য কর্মকর্তা শাহেনুর মিয়া, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিধান চন্দ্র কর্মকার, চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, ডিএফপির পরিচালক মোহাম্মদ আলী সরকার সভায় বক্তব্য দেন। শুরুতেই প্রদর্শিত হয় প্রামাণ্যচিত্র ‘চিরঞ্জীব বঙ্গবন্ধু’।